what is my ip address?

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

সুস্থ ও সুন্দর জিবন গড়তে আমাদের স্বাস্থ্য

এই প্রশ্নগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ! কেন এড়িয়ে চলবেন তেল, চর্বি, ভাজা-পোড়া, সফ্‌ট ড্রিংকস?

শনিবার, ৯ মে, ২০১৫


নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালনকে হ্যাঁ বলুন


বিভিন্ন সময় আমাদেরকে রুগীর জীবন রক্ষার্থে রক্ত পরিসঞ্চালিত করতে হয়।
রক্ত পরিসঞ্চালন মানে হচ্ছে, একজনের দেহ থেকে রক্ত নিয়ে সেই রক্তের গ্রুপ
ও আর এইচ ফ্যাক্টর দেখে এবং ক্রস ম্যাচিং করে একই গ্রুপধারী অন্য কোনো
ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করানো। একজন সুস্খ সবল ব্যক্তি যার বয়স ১৮-৫০ এর
মধ্যে তিনি প্রতি চার মাস অন্তর এক ব্যাগ রক্ত মুমূর্ষু ব্যক্তির জীবন
বাঁচাতে দান করতে পারেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এ ব্যাপারে আমাদের
দেশের মানুষ ততটা সচেতন নয়। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আমাদের দেশে
প্রতিবছর রক্তের চাহিদা প্রায় ৪ লাখ ব্যাগ। এই চাহিদার বেশ বড় একটা অংশই
যোগান দেয় পেশাদার রক্ত বিক্রেতারা। এসব লোক থাকে নেশাগ্রস্ত এবং বিভিন্ন
রোগে আক্রান্ত। এরা অত্যন্ত নিচু শ্রেণীর অর্থনৈতিক লোক হওয়ায় এদের রক্তে
হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও কম থাকে। এদের রক্ত দিলে রক্ত পরিসঞ্চালিত করে বহু
লোক আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছেন এইডস, হেপাটাইটিস, সিফিলিস, ম্যালেরিয়াসহ
বিভিন্ন রোগে।
এ জন্য বিশ্ব স্বাস্খ্য সংস্খা বা (WHO) রক্ত পরিসঞ্চালনের আগে এর পাঁচটি
স্ক্রিনিং টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছে। এই টেস্ট পাঁচটি হচ্ছে ­
(১) Hhs Ag (হেপাটাইটিস বি আছে কি না দেখার জন্য)।
(২) HCV (হেপাটাইটিস সি আছে কি না দেখার জন্য)।
(৩) VDRL ( সিফিলিসের জীবাণু আছে কি না দেখার জন্য)।
(৪) HIV (এইডসের জীবাণু আছে কি না দেখার জন্য)।
(৫) MP (ম্যালেরিয়া আছে কি না দেখার জন্য)।
তাই, রক্ত পরিসঞ্চালনের আগে উপরোক্ত পাঁচটি স্ক্রিনিং টেস্ট করানো হয়েছে
কি না তা অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নেবেন। স্ক্রিনিং ছাড়া কখনো রক্ত নেবেন না,
এমন কি আপনার অতি আপনজনেরও যদি হয় তাহলেও না । কারণ তার রক্তেও যুক্ত
থাকতে পারে মারণঘাতী কোনো রোগের জীবাণু, যা সে নিজেও জানে না হয়তো বা।
তাই, দূষিত রক্ত গ্রহণকে না বলুন, নিরাপদ রক্ত গ্রহণকে হ্যাঁ বলুন।

*************************
লেখকঃ ডা. এম এম নওশের
উৎসঃ দৈনিক নয়াদিগন্ত, ২৫শে নভেম্বর ২০০৭

শুক্রবার, ৮ মে, ২০১৫




রক্ত পরিসঞ্চালন এবং আরএইচ নেগেটিভ রক্তের গুরুত্ব


জীবনের আরেক নাম রক্ত| প্রতিবছর আমাদের দেশে দুই থেকে আড়াই লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয় মুমূষু রোগীকে বাঁচাতে| এই রক্ত আমরা পেয়ে থাকি দাতার কাছ থেকে| রক্তের কোনো বিকল্প নেই| মানুষের জন্য মানুষই রক্তের একমাত্র জোগানদাতা|  রক্ত পরিসঞ্চালনের ইতিহাস অনেক পুরোনো| মেডিসিন যুগের বহু আগে থেকেই সভ্য সমাজ মনে করত, রক্ত হচ্ছে জীবনের উৎস| আদিবাসীদের মধ্যে এই ধারণা ছিল যে তাদের সবার রক্ত একই রকম| তারা মানুষের ও জন্তুর রক্তের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে বলে বিশ্বাস করত না| তখন রক্ত পরিসঞ্চালনের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতিও ছিল না| রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ায় এর অগ্রগতি ছিল সীমিত|  ১৬৬৫ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী ডা· রিচার্ড লোয়ার (ফিজিওলজিস্ট) প্রথম রক্ত পরিসঞ্চালন করেন| ১৬৬৭ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী জিন বয়েপটিস্ট ডেনিস প্রথম মানুষের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন শুরু করেন| প্রথম তিনবার তিনি সফলতার সঙ্গে রক্ত পরিসঞ্চালন করেন| যখন ভেড়ার রক্ত মানুষের মধ্যে সঞ্চালনের প্রক্রিয়ায় এক মানসিক রোগী মারা যায়, তখন মানুষ খুন করার অপরাধে আদালত ওই বিজ্ঞানীকে দোষী সাব্যস্ত করেন| এতে পুরো ইউরোপে রক্ত পরিসঞ্চালন গবেষণা বন্ধ হয়ে যায় উনিশ শতক পর্যন্ত|   জেমস বান্ডেল নামে লন্ডনের এক ধাত্রীবিদ্যা-বিশেষজ্ঞ মৃতুøপথযাত্রী প্রসূতিকে বাঁচাতে মানুষের রক্ত সরাসরি রোগীর দেহে সঞ্চালন করে তার জীবন রক্ষা করেন| এতে এটাই প্রমাণিত হয় যে মানুষের ও অন্যান্য প্রাণীর রক্ত আলাদা|  এর পরও অসুবিধা রয়েই গেল| আর তা হচ্ছে হেমোলাইটিক ট্রান্সফিউশন রি-অ্যাকশন ও দাতার রক্ত খুব তাড়াতাড়ি জমাট বেঁধে যায়| উনিশ শতকে ল্যান্ড স্টেইনার এবিও ব্লাড গ্রুপের আবিষ্কারের ফলে ট্রান্সফিউশন রি-অ্যাকশন অনেকটাই কমে যায়| ১৯৩৯ সালে লেভিন ও স্টেটসন দেখলেন, এক প্রসূতি মৃত বাচ্চা প্রসব করার পর যখন তাঁর শরীরে স্বামীর রক্ত পরিসঞ্চালন করা হলো, তখন এতে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হলো| পরীক্ষা করে দেখা গেল, স্বামীর শরীরে যে অ্যান্টিবডি আছে, সেটা এবিও ব্লাড গ্রুপের ৮৫ শতাংশ রক্তকণিকা জমাট বাঁধার জন্য যথেষ্ট| ১৯৪০ সালে ল্যান্ড স্টেইনার ও উইনার এক পরীক্ষায় গিনিপিগ ও খরগোশের দেহে রেসাস বানরের রক্ত ঢুকিয়ে দেওয়ায় যে অ্যান্টিবডি তৈরি হলো, সেটা শুধু বানরের ও ৮৫ শতাংশ ইউরোপীয়র রক্ত জমাট বাঁধাতে সক্ষম| যাদের রক্ত জমাট বাঁধল, তারা পরে আরএইচ পজিটিভ ব্লাড গ্রুপ হিসেবে চিহ্নিত হলো; আর যাদের রক্ত জমাট বাঁধল না, তারা আরএইচ নেগেটিভ হিসেবে রয়ে গেল| আমাদের দেশে ৯৭ শতাংশ মানুষের রক্ত আরএইচ পজিটিভ এবং তিন শতাংশের আরএইচ নেগেটিভ| এই তিন শতাংশ নিয়ে আমাদের এত মাথাব্যথা কেন? এ জন্য যে এই তিন ভাগের অর্ধেক আবার নারী| আরএইচ নেগেটিভ মা যদি আরএইচ পজিটিভ সন্তান ধারণ করেন, তাঁর শরীরে ভ্রূনের শরীর থেকে লোহিত কণিকা প্লাসেন্টা বা গর্ভফুলের মাধ্যমে মায়ের শরীরে প্রবেশ করে অ্যান্টি-ডি নামের অ্যান্টিবডি তৈরি করে| সেই অ্যান্টিবডি আবার গর্ভফুলের মাধ্যমে ভ্রূনের শরীরে ঢুকে হেমোলাইটিক রক্ত পরিসঞ্চালনের প্রতিক্রিয়া করে ভ্রূনকে মেরে ফেলে| পরে ওই মা যদি প্রথম থেকেই চিকিৎসা না নেন, তাহলে তিনি আর কোনো দিন জীবিত শিশুর জ্ন দিতে পারেন না|  যখন কোনো দুর্ঘটনা ঘটে রক্তের গ্রুপিং অথবা ক্রস ম্যাচিংয়ের সময় থাকে না, সে ক্ষেত্রে মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচানোর জন্য আমরা ও-নেগেটিভ রক্ত দিয়ে থাকি| প্রয়োজনের তুলনায় রক্তের সরবরাহ খুবই কম| গ্রুপের নিরাপদ এক ব্যাগ রক্তের প্রয়োজনে ছুটতে হয় শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে, এক জেলা ছেড়ে অন্য জেলায়| প্রয়োজন যেহেতু যুক্তি মানে না, তাই রক্তদাতা অপরিচিত মানুষটিও তখন হয়ে যায় পরম আত্মীয়, স্বাজনরের চেনা| নেগেটিভ গ্রুপের রক্তস্বল্পতার কারণে এখন সময় এসেছে এই গ্রুপের রক্তের দাতা তৈরি করার| ভবিষ্যৎ প্রজ্নকে সচেতন করতে পারলে এ সমস্যা অনেকটাই দূর করা সম্ভব| 

লেখকঃ ডা· মাসুদা বেগম
 সহযোগী অধ্যাপক,
 হেমাটোলজি বিভাগ 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
 উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো, ৩১, অক্টোবর ২০০৭

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০১৫



হৃদরোগ প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা সুস্থ হার্ট, সুন্দর জীবন| আর সুন্দর জীবনের প্রত্যাশা সবার| বাংলাদেশে প্রায় দেড় কোটি মানুষের বিভিন্ন ধরনের হূদরোগ রয়েছে| আর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রয়েছে অকালে হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা| তাই হার্টের সমস্যাকে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই| যদিও বাংলাদেশে হূদরোগের চিকিৎসার খরচ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশের তুলনায় সহনীয় পর্যায়ে আছে, তবু এ চিকিৎসাসেবা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে| আর যেহেতু সরকারি চিকিৎসাসেবার অবকাঠামোর মাধ্যমে সব লোকের চিকিৎসা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, তাই অন্যান্য রোগের মতো হূদরোগ প্রতিরোধের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে| আর এ জন্য প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা| বেতার ও টেলিভিশনে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় নিয়মিত| কিন্তু এ অনুষ্ঠানগুলো হয় এমন সময়, যখন সবাই কর্মব্যস্ত থাকে| ফলে এ অনুষ্ঠানগুলোর দর্শক-শ্রোতাও বেশি থাকে না|
রোগ নির্ণয় বা রোগের ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠান নয়, কারণ রোগী না দেখে শুধু সামান্য বর্ণনা শুনে চিকিৎসার পরামর্শ দিলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে| আর দর্শক-শ্রোতারাও অন্যের উপসর্গের সঙ্গে নিজের উপসর্গ মিলিয়ে নিজেই নিজের চিকিৎসক (!) বনে যেতে পারেন| আর এ দেশে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই খুব সহজে ওষুধ কেনা ও সেবন করা সম্ভব|
১৫ কোটি জনসংখ্যার এ দেশে সমস্যার কোনো শেষ নেই| ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’-এমন লোকের কাছে চিকিৎসাসেবা অনেক দূরের বিষয়| নি্নমধ্যবিত্ত বা নি্ন আয়ের মানুষেরা সব সময় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারে না বা হলেও অনেক সময় ওষুধ কিংবা অন্য ধরনের চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থন তাদের থাকে না| পানি ফুটিয়ে পান করা বা ভালো করে হাত ধোয়ার গুরুত্ব যেমন প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছানো গেছে, তেমনি হূদরোগ প্রতিরোধের জন্য কী করা দরকার তাও তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে| সামান্য অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে যে বাতজ্বর ও বাতজ্বর-সংক্রান্ত অন্য অসুখ থেকে বাঁচা সম্ভব, তা জনসাধারণকে জানাতে হবে|
সুস্থ হার্ট নিয়ে বাঁচতে চাইলে তেল, চর্বি, লবণ-এগুলো কম খেতে হবে| উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে| ধূমপান, গুল, জর্দা, সাদাপাতা সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে| শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে হলে এগুলো জানা জরুরি| বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় হূদরোগের প্রকোপ অন্যান্য দেশের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি| হার্ট অ্যাটাকে যাঁরা আক্রান্ত হন, তাঁদের মধ্যে ২৫ শতাংশেরই বয়স চল্লিশের নিচে| আর ৫০ শতাংশের বয়স পঞ্চাশের নিচে|
এটা আমাদের জন্য একটা বিপদসংকেত| ঢাকাসহ বড় বড় শহরে শুধু হাতে গোনা কয়েকটি হাসপাতালে হৃদরোগের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা আছে| অনেক জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় সুচিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না| আবার কোথাও রয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব| তাই অকালমৃত্যু রোধে আমাদের একজোট হয়ে হূদরোগ প্রতিরোধ করতে হবে| এ জন্য জনসচেতনতা বাড়াতে হবে, আর এ দায়িত্ব সমাজের সব সচেতন মানুষের|
************************************* লেখকঃ ডা· এম এইচ মিল্লাত কনসালট্যান্ট কার্ডিয়াক সার্জন স্কয়ার হাসপাতাল, ঢাকা উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো, ২১ নভেম্বর ২০০৭

রবিবার, ৩ মে, ২০১৫


আমাদের স্বাস্থ্য


আমাদের দৈনন্দিন জিবনে আমরা বেশির ভাগ সময়ই কর্ম ব্যস্ততায় কাটালেও আমাদের স্বাস্থ্যের প্রতি কতটা নজর দিই সেটা এখন ভাববার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। আমাদের অনিয়ন্ত্রিত জিবন-যাপন, খাদ্যাভ্যাস  ও অসচেতনার কারণে হঠাত করেই অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনা বা স্ট্রোকের মত আততায়ীর হাতে মৃত্যুবরণ করে আমাদের স্বজনরা আমাদের কে কাঁদিয়ে চলে যায় অথচ একটুখানি সচেতন হলে ও আমাদের দৈনন্দিন জিবনে কিছুটা স্বাস্থ্যসম্মত নিয়ন্ত্রণ আনলেই এ অপমৃত্যু রোধ করতে পারি সহজেই। এর জন্য আমাদের চাই সঠিক গাইডলাইন ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।
আজ থেকে আমি চেষ্টা করবো ধারাবাহিক ভাবে আমাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা মূলক পোষ্ট করার। এতে থাকবে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রোগ, ঝুকিঁ, রোগ ণির্ণয়, প্রতিকার, শরীরের যত্ন ও চিকিতসা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ। এখানে আমরা ধারাবাহিক জানতে পারবো আমাদের শরীরের আলাদা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রোগ, ঝুকিঁ, রোগ ণির্ণয় ও প্রতিকারএজন্য আমরা আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আলাদা ভাবে চিহ্ণিত করে বিশেষভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করবো যেমন, ১।নাক, কান ও গলা ২।হৃদযন্ত্র, রক্ত ও রক্তসংবহনতন্ত্র ৩।ফুসফুস ও শ্বাসনালী ৪।পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্র ৫।কিডনী ও মুত্রসংবহনতন্ত্র ৬।লিভার ৭।চোখ ৮।দাঁত ও মাড়ি ৯।নখ ও চুল ১০।মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র ১১।প্রোস্টেট গ্লান্ড ১২।মাংসপেশী ১৩।হাত ও পা ১৪।হাড় ১৫।ত্বক ১৬।মুখ ও জিহ্ববা ১৭।শিশুর স্বাস্থ্য ১৮।নারীর স্বাস্থ্য ১৯।পুরুষের স্বাস্থ্য ২০।প্রসূতির স্বাস্থ্য ২১।মানসিক স্বাস্থ্য ২২।বয়:সন্ধি ২৩।বার্ধক্যের সাধারণ সমস্যা ২৪।শারীরিক ও মানসিক ফিটনেস ২৫।মাদকাসক্তি ও তার প্রতিকার ২৬।পরিবার পরিকল্পনা ২৭।ভেষজ সম্পদ ২৮।হেলথ্‌ টিপ্‌স ২৯।ঘুম ৩০।রোগ, কারণ ও প্রতিরোধ ৩১।ক্যান্সার ৩২।সমস্যা ও সমাধান ৩৩।খাদ্য ও পুষ্টি ৩৪।আধুনিক চিকিতসা ৩৫।স্বাস্থ্য সংবাদ ৩৬।সতর্কতা অন্যান্য এবং ৩৭।ব্যক্তিত্ব।